পাঠচক্র
গণিতকে বলা হয় বিজ্ঞানের ভাষা। গাণিতিক প্রতীক, কাঠামো ও সমীকরণের মধ্য দিয়েই আমরা প্রকৃতির জটিল নিয়মগুলোকে অনুধাবন করি। গণিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি চার বছর পর পর ৪০ বছরের কম বয়সী তরুণ গণিতবিদদের প্রদান করা হয় গণিতের নোবেলখ্যাত ‘ফিল্ডস পদক’।
২০২৬ সালে এই মর্যাদাপূর্ণ পদকে ভূষিত হয়েছেন চারজন অসাধারণ গণিতবিদ। তাঁদের সম্মাননা ও গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা নিয়েই সাজানো হয়েছে ট্যকিয়নের এবারের পাঠচক্র।
প্রাচীন কাল থেকেই আমাদের অজানাকে জানার আগ্রহ এবং প্রাকৃতিক বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে আমরা বেশ কৌতূহল। আর এই কৌতূহল মেটানোর উপায় হল সেই বিষয় বস্তু সম্পর্কে জানা। আর কোনো বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানার উপায় হলো গবেষণা।
বৈজ্ঞানিক গবেষণা হল প্রাকৃতিক জগৎ সম্পর্কে অনুসন্ধান, জানা ও নতুন জ্ঞান অর্জনের একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি (Scientific methodology)। এই পদ্ধতি অনুসরণ করে সমস্যা চিহ্নিতকরণ, অনুমান তৈরি, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সত্য অনুসন্ধানের চেষ্টা।
ট্যাকিয়নের এবারের পাঠচক্রটি হতে যাচ্ছে গবেষণা এবং এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়ের উপর৷ পাঠচক্রে যে বিষয়গুলো আলোচনা হবে সেগুলো হল – বিজ্ঞানের ইতিহাস, সায়েন্টিফিক মেথডোলজি, বিজ্ঞানের দর্শন ও বর্তমান গবেষণা পদ্ধতি, রিসার্চ পেপারের প্রকারভেদ ও টার্মিনোলজি, গবেষণায় চুরি ও সাম্প্রতিক বিতর্ক
মহাবিশ্ব নিয়ে আমাদের কল্পনার কোনো শেষ নেই। আর অন্য কোনো গ্ৰহে কোন প্রাণীর অস্তিত্ব আছে কিনা তা নিয়ে আমাদের বিশাল এক আগ্রহ। ছোটবেলায় আমরা কার্টুন বা সিনেমায় (UFO) আকাশ থেকে নেমে আসা এক অজানা বস্তু নিয়ে অনেক ভিডিও দেখেছি। শুনেছি একদল গবেষক (Ufologist) যারা এই বস্তুর রহস্য নিয়ে গবেষণা করেন।
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি পোর্টালে UFO নিয়ে অনেকগুলো ছবি প্রকাশ করে। এখানে সেই ফাইলগুলোই আপলোড করা হচ্ছে যেগুলো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আজ পর্যন্ত বের করতে পারেনি। নাসা এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যৌথভাবে এই ফাইল নিয়ে কাজ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোন দেশের হাইপারসনিক ড্রোন বা অন্য কোন প্রযুক্তি হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নতুন এই অফিসিয়াল ওয়েব পোর্টালের অজানা সকল তথ্য নিয়ে আমাদের ট্যকিয়নে হতে যাচ্ছে একটি পাঠচক্র।
২৪ মে ২০২৫ – কে. এম. শরীয়াত উল্লাহ ও চয়ন গোলদার
(১) হাবলের সূত্র (২) ফ্রিডম্যানের সূত্র (৩) মহাবিশ্বের জ্যামিতি ও অন্তিম পরিণতি (৪) টেনসর বলতে কী বোঝায় ও (৫) আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার সমীকরণের অর্থ কী
ড. ইয়ামিন হামিদ ৪ মে ২০২৫ – সায়েন্স জার্নালিজম কী?
– সায়েন্স জার্নালিজম ও সায়েন্স কমিউনিকেশনের পার্থক্য কী?
– বাংলাদেশে সায়েন্স জার্নালিজমের ভবিষ্যৎ কী?
– ক্যারিয়ার হিসেবে সায়েন্স জার্নালিজম বেছে নিতে চাইলে কী করতে হবে?
– সোশ্যাল সায়েন্সের বিষয়ে পড়াশোনা করেও কি সায়েন্স জার্নালিজম করা সম্ভব?
আমাদের চারপাশে গুজবের ছড়াছড়ি চলছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে এ গুজব আরো দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে। তবে খুব সহজেই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করার মাধ্যমে আমরা একটি গুজবকে চিহ্নিত করতে পারি।
কীভাবে তা করব? জানতে চাইলে যুক্ত হোন আমাদের আগামী বিজ্ঞান আড্ডায়। আড্ডাটি হবে অনলাইনে, গুগল মিটে, ১৮ এপ্রিল, শুক্রবার রাত ৯টায়।
আড্ডায় আলোচনা করবেন – বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক সংস্থা Rumor Scanner এর ফ্যাক্ট চেকার Hojayfa Ahmed
আমাদের এবারের বিজ্ঞান আড্ডা পার্টিকেল ফিজিক্স ও স্ট্যান্ডার্ড মডেল নিয়ে। এবারের আলোচনায় আমাদের সহায়তা করবেন Roshlan Rahman Dipto। এটি তার রিসার্চ ইন্টারেস্টের বিষয়ও বটে। আলোচনায় উঠে আসবে আমাদের মহাবিশ্বে কণার আবির্ভাবের ইতিহাস, কোয়ার্ক, মেসন, ব্যারিয়নের মতো নানা কণা নিয়ে গঠিত স্ট্যান্ডার্ড মডেল যাকে কিনা অনেকে পার্টিকেল ফিজিক্সের পর্যায়সারনি বলে থাকেন। পার্টিকেল এন্টি-পার্টিকেল, কোয়ান্টা, ফাইনম্যান ডায়াগ্রাম নিয়েও কথা থাকবে এ আড্ডায়। এছাড়াও সিপিটি থিওরেম, ক্লেইন গরডন ইকুয়েশন, থিওরি অফ এভরিথিং নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করা হবে সময় সাপেক্ষে। আলোচনাটিতে যুক্ত হতে আগ্রহীদেরকে তাদের ইমেইল ঠিকানা আমাদের পেইজের মেসেঞ্জারে পাঠানোর অনুরোধ রইল, অথবা আপনি কমেন্টেও আপনার ইমেইল ঠিকানা দিতে পারেন। আড্ডাটি হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি
সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের একটি দল আইনস্টাইন জিগ-জ্যাগ নামে একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা আবিষ্কার করেছেন। সে দলে ছিলেন একজন বাংলাদেশী জ্যোতির্বিজ্ঞানীও।
৩১ তারিখ রাতে আমরা একটি অনলাইন বিজ্ঞান আড্ডা করতে যাচ্ছি ‘আইনস্টাইন জিগ-জ্যাগ ও গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং নিয়ে’। আপনারা যুক্ত হতে পারেন সবাই, গুগল মিটে। বিশেষ করে যারা জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে কৌতুহলী তারা মাস্ট থাকবেন। আড্ডাটা মজা হবে আশা করি।
কাল রাতে আমরা একটি অনলাইন বিজ্ঞান আড্ডা করতে যাচ্ছি। ‘বাংলাদেশে বিজ্ঞান প্রচারের স্বার্থকতা নিয়ে’।
গত কয়েকযুগ ধরেই তো দেশে বিজ্ঞান নিয়ে বেশ কাজ চলছে। এর স্বার্থকতা কতটুকু আর এর থেকে আমরা কতটুকুই বা ‘বিজ্ঞান’ শিখতে পারলাম, আমরা কি সত্যিই বিজ্ঞানের চিন্তাভাবনা ধারণ করতে পারছি? এসব নিয়ে চলবে আমাদের আড্ডা। ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪
ইলেকট্রন, নিউট্রিনোর মতো ছোট ছোট কণার জগত আমাদের থেকে ভিন্ন। তারা আমাদের চোখে দেখা জগতের নিয়ম সবসময় মেনে চলে না। তাদের জগতকে বলা হয় কোয়ান্টাম রাজ্য। একসময় ভুতুড়ে হিসেবে ধরা হলেও আজকাল আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনের ডিসপ্লে সঠিকভাবে কর্মক্ষম করতে কাজ করে যাচ্ছে কোয়ান্টাম মেকানিক্স। তারই একটি অংশ হচ্ছে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং।
সাধারণ কম্পিউটার যেসব হিসাব করতে কয়েক বছর লেগে যাবে সেসব বিশাল হিসাব চোখের পলকে করে ফেলতে পারে একটি কোয়ান্টাম কম্পিউটার। তাইতো গুগলসহ বেশকিছু বড়-বড় প্রতিষ্ঠান কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরিতে প্রতিযোগিতা করছে।
কিন্তু বহির্বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশের এই সাইডে অবস্থান কেমন? কেউ যদি বাংলাদেশ থেকে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং নিয়ে গবেষণা শুরু করতে চায় তাহলে কীভাবে আগানো উচিত? – এসব নিয়েই কথা হবে এবারের বিজ্ঞান আড্ডায়। এবারের বিজ্ঞানআড্ডায় উক্ত বিষয়ে কথা বলার জন্য দু’জন বিশেষজ্ঞও থাকবেন। তাহলে আপনাদের সাথে দেখা হচ্ছে ১ জুন! রাত ৯টায়।
বিজ্ঞান তো আমরা পড়ি। সত্যকে খোঁজার একটা মাধ্যম হতে পারে বিজ্ঞান। বর্তমানের শিক্ষাব্যবস্থায় আমরা বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক এই তিন বিভাগ দেখতে পাই। প্রতিবছর বিভাগ সিলেকশনকের সময় অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বিজ্ঞান নিচ্ছে। কেউ বিজ্ঞানের গুরুত্ব দেখে নিচ্ছে আবার কেউ বিজ্ঞান নিলে ভালো চাকরি পাবে এই আশায় নিচ্ছে কেউবা নিচ্ছে কারণ বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করার খাত বেশি। আমাদের আজকের আড্ডায় আমরা আলোচনা করব বিজ্ঞান কী সবার পড়া জরুরি কি না। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
বিজ্ঞান জানার জন্য আমাদেরকে প্রচুর বই পড়তে হয়। কিন্তু অধিকাংশেরই কিছু সমস্যা হয় বই পড়ার সময়। কেউ কেউ বই পড়ার সময় বুঝে না যে বইয়ে কী বলা হচ্ছে। আর কেউ কেউ পড়ার পর তা মনে রাখতে পারছে না। এসব হচ্ছে বই পড়ার সঠিক পদ্ধতি জানা না থাকার কারণে। বই পড়ার সঠিক পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করাই আমাদের এ বছরের প্রথম বিজ্ঞান আড্ডার বিষয়। ৫ জানুয়ারি ২০২৩
লামমিম আহাদ